চার অধ্যায়
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শেষ উপন্যাস 'চার অধ্যায়' (১৯৩৪) বাংলা সাহিত্যের এক অনন্য সংযোজন। এটি কেবল একটি প্রেমের গল্প নয়, বরং বিপ্লবী আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে ব্যক্তিগত আবেগ ও আদর্শের সংঘাতের এক নিবিড় দলিল। উ
অরক্ষণীয়া
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'অরক্ষণীয়া' (১৯১৬) তৎকালীন বাঙালি হিন্দু সমাজের কুসংস্কার এবং একবিংশ শতাব্দীর পাঠকের কাছেও প্রাসঙ্গিক এক নির্মম বাস্তবতার দলিল। উপন্যাসের মূল চরিত্র জ্ঞানদা—যার বিয়
হাজার বছর ধরে
'হাজার বছর ধরে' কেবল একটি উপন্যাস নয়, এটি আবহমান বাংলার গ্রামীণ সমাজের এক জীবন্ত দলিল। জহির রায়হান অত্যন্ত নিপুণভাবে এই উপন্যাসে একটি প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের সুখ-দুঃখ, কুসংস্কার, প্রেম ও অন্ধবিশ্বাস
যাওয়া–আসা
উপন্যাসের মূল চরিত্র 'সবুজ'-কে কেন্দ্র করে গল্পটি আবর্তিত হয়েছে। সবুজ একজন সাধারণ চাকরিজীবী, যার জীবন ও চারপাশের পরিবেশ খুবই চেনা ছকে বাঁধা। সংসারের শান্তি বজায় রাখতে কিংবা নিজের ভালো থাকার তাগিদে সে
চরিত্রহীন
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'চরিত্রহীন' (১৯১৭) বাংলা সাহিত্যের এক যুগান্তকারী এবং একসময় তুমুল বিতর্কিত উপন্যাস। তৎকালীন রক্ষণশীল সমাজের ভণ্ডামি এবং তথাকথিত "চরিত্র" বা নৈতিকতার মুখোশ খুলে দেওয়ার কারণে এ
রবীন্দ্রনাথ এখানে কখনো খেতে আসেন নি
গল্পের প্রেক্ষাপট ঢাকার অদূরের এক শান্ত মফস্বল শহর ‘সুন্দরপুর’। এই শহরের প্রধান আকর্ষণ একটি রেস্তোরাঁ, যার অদ্ভুত নাম—"রবীন্দ্রনাথ এখানে কখনো খেতে আসেন নি"। রেস্তোরাঁটির মালিক রহস্যময়ী রূপসী মুশকান জু
চবুতরা
'চবুতরা' বুদ্ধদেব গুহের এক অনন্য ও মননশীল সৃষ্টি। লেখকের চিরচেনা অরণ্যপ্রীতি এবং প্রকৃতির পটভূমিতে মানুষের মনস্তাত্ত্বিক টানাপোড়েনের যে চিত্র তিনি বরাবর এঁকে এসেছেন, এই উপন্যাসেও তার একটি সুন্দর ব
পথের দাবী
‘পথের দাবী’ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি কালজয়ী এবং রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত প্রভাবশালী উপন্যাস। ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত এই বইটি তৎকালীন মুক্তিকামী মানুষের মনে তীব্র দেশপ্রেমের আগুন জ
চন্দ্রনাথ
'চন্দ্রনাথ' শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি মনস্তাত্ত্বিক এবং আবেগঘন উপন্যাস। গল্পটি মূলত আবর্তিত হয়েছে আভিজাত্যের অহংকার, সামাজিক কুসংস্কার এবং ভালোবাসার টানাপোড়েনকে কেন্দ্র করে। উপন্যাসের মূল চরিত্র
বত্রিশ সিংহাসন
'বত্রিশ সিংহাসন' বাংলা সাহিত্যের এক কালজয়ী এবং অত্যন্ত জনপ্রিয় লোকগাথা ও রূপকথার সংকলন। মূলত সংস্কৃত 'দ্বাত্রিংশৎ পুত্তলিকা' অবলম্বনে উনবিংশ শতাব্দীতে পণ্ডিত নীলমণি বসাক মহাশয় এই অমূল্য গ্রন্থটি সহজ ও
নিষ্কৃতি
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'নিষ্কৃতি' (১৯১৭) বাংলা সাহিত্যের একটি কালজয়ী সামাজিক উপন্যাস। তৎকালীন বাঙালি যৌথ পরিবারের জটিল মনস্তত্ত্ব, পারস্পরিক কলহ, স্বার্থপরতা এবং দিনশেষে রক্তের সম্পর্কের টান ও
প্রজাপতির নির্ব্বন্ধ
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কৌতুক উপন্যাস 'প্রজাপতির নির্ব্বন্ধ'। এটি মূলত তাঁরই লেখা বিখ্যাত নাটক 'চিরকুমার সভা'-এর একটি গদ্য সংস্করণ। বইটির মূল উপজীব্য হলো চিরকুমার ব্রতধারী একদল মানুষের
আজ হিমুর বিয়ে
হিমু সিরিজের অন্যতম চমৎকার ও তুমুল পাঠকপ্রিয় উপন্যাস ‘আজ হিমুর বিয়ে’। বইটির নাম শুনেই পাঠকদের মনে যে তুমুল কৌতূহল আর হাসির খোরাক তৈরি হয়, পুরো গল্পজুড়ে হুমায়ূন আহমেদ সেই আমেজ ধরে রেখেছেন দারুণভাবে।
আর কত দিন
জহির রায়হানের ‘আর কত দিন’ (১৯৭০) একটি অত্যন্ত শক্তিশালী এবং কালজয়ী রাজনৈতিক-যুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস। উপন্যাসটির মূল পটভূমি গড়ে উঠেছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ভয়াবহতা, ভিয়েতনাম যুদ্ধ এবং তৎকালীন বিশ্বজুড়ে
বরফ গলা নদী
উপন্যাসটির মূল প্রেক্ষাপট গড়ে উঠেছে অর্থনৈতিক সংকটে জর্জরিত এক মধ্যবিত্ত পরিবারকে কেন্দ্র করে। জহির রায়হান অত্যন্ত নিখুঁতভাবে দেখিয়েছেন কীভাবে অভাব একটি সুসংহত পরিবারের সুখ-শান্তি, নৈতিকতা এবং পারস্পর
পথের পাঁচালী
বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘পথের পাঁচালী’ বাংলা সাহিত্যের এক অনন্য মাইলফলক। গ্রামীণ বাংলার ধূলিমাটি, প্রকৃতি আর মানুষের সহজ-সরল জীবনের এমন নিখুঁত ও আবেগঘন চিত্রণ সাহিত্যে খুব কমই দেখা যায়। উপন্য
দত্তা
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'দত্তা' বাংলা সাহিত্যের একটি অনবদ্য এবং অত্যন্ত জনপ্রিয় ধ্রুপদী উপন্যাস। ১৯১৮ সালে প্রকাশিত এই উপন্যাসে তৎকালীন সমাজব্যবস্থা, ব্রাহ্ম ও সনাতন হিন্দু ধর্মের ভেদাভেদ এবং মানব
গৃহদাহ
উপন্যাসটি মূলত একটি ত্রিমুখী জটিল সম্পর্কের গল্প। এর প্রধান তিনটি চরিত্র—মহিম, সুরেশ এবং অচলা। * মহিম: শান্ত, যুক্তিবাদী ও ধৈর্যশীল এক ব্যক্তিত্ব। * সুরেশ: মহিমের বন্ধু; চরম আবেগপ্রবণ, উগ্র এবং যেকো
পন্ডিতমশাই
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'পণ্ডিতমশাই' বাংলার পল্লীসমাজের বাস্তব চিত্র, জাতিভেদ, কুসংস্কার এবং একনিষ্ঠ আদর্শবাদের এক অনন্য দলিল। ### মূল চরিত্র ও প্রেক্ষাপট * বৃন্দাবন: উপন্যাসের মূল চরিত্র বৃন্দাবন
একুশে ফেব্রুয়ারি
'একুশে ফেব্রুয়ারি' উপন্যাসটি বাংলা সাহিত্যের এক অনন্য দলিল। ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত এই কালজয়ী উপন্যাসে জহির রায়হান ১৯৫২ সালের সেই রক্তঝরা দিনগুলোর উত্তাল সময়কে অত্যন্ত নিখুঁত ও আবেগঘনভাবে ফুট
কাদম্বরীদেবীর সুইসাইড–নোট
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জীবনের অন্যতম রহস্যময় ও ট্রাজিক অধ্যায় হলো তাঁর নতুন বৌঠান কাদম্বরী দেবীর আত্মহত্যা। ১৮৮৪ সালের ১৯ এপ্রিল মাত্র তেইশ বছর বয়সে তিনি আফিম খেয়ে আত্মঘাতী হন। এই ঐতিহাসিক ও সংবেদনশীল সত
পারাপার
'পারাপার' উপন্যাসটি হিমু সিরিজের একটি গুরুত্বপূর্ণ বই। হুমায়ূন আহমেদের স্বভাবসুলভ জাদুকরী লেখনীতে এই উপন্যাসেও হিমুর চিরচেনা রূপটি ফুটে উঠেছে। হলুদ পাঞ্জাবি পরে, খালি পায়ে, পকেটে টাকাপয়সা না রেখে
কবি
তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'কবি' (১৯৪৪) বাংলা সাহিত্যের অন্যতম এক কালজয়ী ও ট্রাজিক উপন্যাস। রাঢ় অঞ্চলের লোকায়ত জীবন, কবিয়াল বা ঝুমুর দলের অভ্যন্তরীণ টানাপোড়েন এবং এক চারণকবির জীবনের পরম প্রাপ্ত
দরজার ওপাশে
হুমায়ূন আহমেদের বিখ্যাত ‘হিমু’ সিরিজের অন্যতম জনপ্রিয় একটি উপন্যাস হলো ‘দরজার ওপাশে’। ১৯৯২ সালে প্রকাশিত এই বইটি হিমু চরিত্রের চিরচেনা রহস্যময়তা, খামখেয়ালিপনা এবং মানুষের মনস্তত্ত্বকে এক অদ্ভুত